সীমিত আকারে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

16

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে ‘সীমিত আকারে’ অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে এখন অ্যান্টিবডি টেস্টের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে না বলেও তিনি জানান। অন্যদিকে বিদেশগামীদের জন্য করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফি সাড়ে তিন হাজার থেকে কমিয়ে দেড় হাজার টাকা করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সোমবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে তাইওয়ানের দেয়া চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষা দ্রুত করার জন্য অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন দেয়া হবে কি না জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তে একটা হল পিসিআর টেস্ট, যেটা আমরা করে যাচ্ছি। আর দুটি টেস্ট- একটি অ্যান্টিজেন এবং অপরটি র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট। এখন প্রায় ৮৮টি ল্যাবে পিসিআর টেস্ট হয়। কিন্তু টেস্টের সংখ্যা সেইভাবে বাড়ে না, কারণ কিছু লোকের অনীহা দেখা দিয়েছে।

অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যান্টিজেন এবং র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বলছি যে, র‌্যাপিড টেস্ট আমরা এই মুহূর্তে করব না, করছি না। এটার সিদ্ধান্ত এখনও নেগেটিভ।

অ্যান্টিজেন টেস্ট যেটা আছে, সেটা আমরা এখন অ্যালাউ করব সীমিত আকারে। সেটা হবে আমাদের হাসপাতালগুলোতে (সরকারি হাসপাতাল) এবং আমাদের যে সরকারি ল্যাব আছে সেখানে। যেখানে আমাদের ল্যাব নাই, সরকারের তত্ত্বাবধানে আমরা সেখানে অ্যান্টিজেন টেস্টের ব্যবস্থা আগামীতে করব। অর্থাৎ অ্যান্টিজেন টেস্ট আমরা সরকারিভাবে অ্যালাউ করব। কিন্তু অ্যান্টিবডি টেস্ট আমরা এখন অ্যালাউ করব না।

দেশে এখন পর্যন্ত কেবল রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি-পিসিআর) পদ্ধতিতেই করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার অনুমতি রয়েছে, যা বিশ্বে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত। তবে এই পদ্ধতিতে নমুনা সংগ্রহের পর ফল পেতে বেশ সময় লেগে যায়, সেখানে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে আধা ঘণ্টার মধ্যে জানা যায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে কি না।

করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ায় বাংলাদেশেও অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করার পরামর্শ দিচ্ছিলেন বিশেষজ্ঞরা।

Previous articleবন্যায় ডুবেছে মাছের ঘের, দুঃশ্চিন্তায় খামারিরা
Next articleসংক্ষিপ্ত হচ্ছে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের সিলেবাস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here