কৃষি ব্যাংকে প্রমোশন বঞ্চনা পদোন্নতিতে অনিয়ম

313

নিজস্ব প্রতিনিধি: ব্যাপক জনবল ঘাটতি নিয়েও বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়ন/অর্জনের রেটিং এ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এবার ১ম স্থান দখল করেছে।

কিন্তু যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে, হাড় ভাঙ্গা খাটুনির কারণে ব্যাংক ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় রয়েছে তাদের অনেকেই আজ পদন্নোতি বঞ্চিত।

লাভের দিকে দৃষ্টি না দিয়ে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অনেক সেবাধর্মী কাজ করে যাওয়া এই ব্যাংকে নেই কোন বাড়তি বোনাস বা অন্য কোন ধরনের প্রণোদনা।

বছরের পর বছর কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেন, এমনকি  করোনার মাঝেও তারা নিরলসভাবে সেবা প্রদান করে গেছেন একমাত্র এই আশায় যেন পদন্নোতির সময় যথাসময়ে পদোন্নতি পান।

কিন্তু এবার যথেষ্ট পরিমাণ পদ থাকা সত্ত্বেও অনেক যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে তদবির রক্ষা করে সিনিয়রিটিতে অনেক পিছিয়ে থাকা তুলনামূলক অনেক অযোগ্য প্রার্থীকে প্রমোশন দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট অনেকেই বিস্মিত ও ক্ষুব্দ।

প্রমোশনের ভাইভা ভালো দিয়েও বাদ পড়াতে ব্যাংকের এমডির বিরুদ্ধে উঠেছে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ।

বাদ পড়া অনেকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের পারফরম্যান্স অনেক ভালো থাকা সত্ত্বেও এবং যোগ্যতার দিক দিয়ে কোন রকম ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও তাদের বিনা কারণে বাদ দিয়েছে।

অনেক সিনিয়র অফিসার থেকে অনেক পিছিয়ে থাকা এবং পরবর্তীতে ব্যাংকে যোগ দেওয়া অফিসারদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। যে কারণে তারা ব্যাক্তিগত ও সামাজিক ভাবে অনেক জায়গায় হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকতা প্রতিবেদককে বলেন ” যদি তদবির রক্ষা করে প্রমোশন দিতেই হয় তাহলে যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দেওয়া কেন? যেখানে সংশ্লিষ্ট পদগুলোক্তে যথেষ্ট পরিমাণ পদ খালি রয়েছে।

উল্লেখ্য যে এবার এসপিও থেকে ডিজিএম ভাইভাতে পদ থাকা সত্ত্বেও অর্ধেকের বেশী প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হয়। যেখানে অনেকেই ছিলেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পারফর্মার ও শুদ্ধাচার পুরুষ্কারের জন্য মনোনয়ন পাওয়া।

প্রিন্সিপ্যাল অফিসার থেকে এসপিও প্রমোশন ভাইভাতেও একইভাবে অসংখ্য প্রার্থী বাদ পড়েছেন যারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে কাজ করে যাচ্ছেন ।

তিনি আরও বলেন, অপরদিকে যাদের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে এমন অনেকেই প্রমোশন পেয়েছেন। “এই ধরনের বৈষম্য ব্যাংকে বহু বছর ঘটেনি” বলে জানিয়েছেন অনেক বছর ধরে ব্যাংকে চাকরী করে যাওয়া অভিজ্ঞ এক ব্যাংকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here